মো: শাহীনুর রহমান:
জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় নিম চন্দ্র ভৌমিক এর সভাপতিত্বে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এড. রানা দাস গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক, ঐক্য পরিষদের পক্ষে সম্মেলন পত্র পাঠ করেন। ধৰ্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু সংগঠনসমূহের ঐক্য মাের্চার মহান স্বাধীনতার ঘােষণাপত্রে আমরা বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে মাতৃভূমির মুক্তির জন্যে এ দেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান, আদিবাসী সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে আমাদের প্রিয় স্বদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে চলেছে, খাদ্য উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য ও পােশাক শিল্পে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি ঘটছে, নারী শিক্ষায় সাফল্য , মাতৃমৃত্যু হার ও শিশুমৃত্যু হার হ্রস তথা এমডিজি অর্জন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা, ডিজিটালাইজেশন ইত্যাদিতে সাফল্য অর্জিত
হলেও দেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগণের জীবনে মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি। বিশ্বের সকল দেশেই ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগােষ্ঠী রয়েছেন। আজ এখানে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ, বিশ্বের অনেক দেশেই তারা সংখ্যালঘু নাগরিক। এই সংখ্যালঘু জনগণকে দেশে দেশে জাতীয় রাজনীতির নানা হিসাব-নিকাশের কারণে কঠিন সংকট মােকাবেলা করে বেঁচে থাকতে হয়। অনেকে সংখ্যালঘু হওয়ার দুঃখকে নিয়তি ভেবে জীবন পার করে দেন। এই কারণেই জাতিসংঘ সধারণ পরিষদ ১৯৯২ সালে একটি মাইনােরিটি ডিক্লারেশন গ্রহণ করে। এই ঘােষণাপত্রের প্রথম ও দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু জনগণের আত্মপরিচয় ও অস্তিত্ব রক্ষার দায়িত্ব হলাে রাষ্ট্রের। সংখ্যালঘু মানুষের এই পরিচয় ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য রাষ্ট্রকে প্রয়ােজনীয় সকল আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ঘােষণাপত্রে বলা হয়েছে। অর্থাৎ দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রকে মূল ভূমিকা পালন করতে হবে। মহাত্মা গান্ধীসহ বিশ্বের অনেক মণিষী বলে গেছেন, একটি দেশ ও একটি সমাজ কত বেশি গণতান্ত্রিক, কত বেশি সভ্য ও উন্নত,তার বিচার্য বিষয় হলাে সেই দেশে ও সেই সমাজে সংখ্যালঘু জনগণ কেমন আছেন। একটি জাতির মহত্ব বা বিশালত্ব তখনি প্রকাশ পায়, যখন সেই জাতি অন্য সংখ্যালঘু ও দুর্বল জাতির সঙ্গে মানবিক আচরণ করে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী বছরে এসেও আমরা অতীব দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধে ঘাপটি মেরে বসে আছে এবং প্রবল শক্তি সঞ্চয়
করছে। এর উদাহরণ হলাে সারা দেশে সংগঠিত অব্যাহত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস। উল্লেখ্য, এই সব মানবাধিকার লংঘনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার আজো হয়নি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা এ দেশের ধর্মীয়-জাতিগত-আদিবাসী সংখ্যালঘু জনগােষ্ঠী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
বরাবরে একটি স্মারক লিপি প্রদান করতে যাচ্ছি। এ উপলক্ষে লক্ষাধিক নাগরিকের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার ঘােষণা দেন।বাহাত্তরের সংবিধান আজও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত না হলেও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা’ পূর্বেকার মত রাষ্ট্রীয় মৌলনীতি হিসেবে সংবিধানে ফিরে এসেছে, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমিবিরােধ নিষ্পত্তিতে কমিশন গঠিত হয়েছে, কুখ্যাত গণবিরােধী শত্রু (অর্পিত) সম্পত্তি আইন বাতিলক্রমে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন হয়েছে, নিবন্ধন আইনে বিরাজিত ইতােপূর্বেকার বৈষম্য দূরীভূত হয়েছে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন প্রণীত হয়েছে, চাকুরির নিয়ােগ-পদোন্নতি ও জন প্রতিনিধিত্বশীল সংস্থায় অতীতের বিরাজিত বৈষম্যের বেশ খানিকটা অবসান হয়েছে, ধর্মশিক্ষায় স্বস্ব ধর্মের শিক্ষক নিয়ােগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের স্বাভাবিক সময়ে ত’ বটেই, আজকের করােনা অতিমারী দুর্যোগময় পরিস্থিতিতেও ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও
আদিবাসীদের বাড়িঘরে হামলা ও জখম, তাদের জমিজমা, সমাধিক্ষেত্র এমনকি দেবােত্তর সম্পত্তিও জবর দখল ও জবর দখলের
অপচেষ্টা, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে নিরীহ জনগণকে নানাভাবে হয়রানি ও তাদের উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা নানা স্থানে ঘটে চলেছে। পূর্বেকার কথা বাদ দিলেও বিগত দেড়-দুই বছরে সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, মৌলভীবাজার, মাগুরা, জামালপুর, জয়পুরহাট, চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া, কুড়িগ্রাম, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, দিনাজপুর, আগৈলঝরা, যশাের, বরিশাল, ভােলা,
সুনামগঞ্জের শাল্লা এবং সর্বশেষ খুলনার রূপসাসহ নানা স্থানে কুচক্রী সাম্প্রদায়িক মহলের এ ধরনের হামলা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে। ঘটনাবলির সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাই। সংখ্যালঘু জনজীবনে বিরাজিত বহুমুখী সংকট থেকে উত্তরণে বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বেশ কয়েকটি অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছিল। ইশতেহারের ৬৬ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছিল, অর্পিত সম্পত্তি সংশােধনী আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত স্বত্বাধিকারীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে । জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হবে। সংখ্যালঘু বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে । সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর জমি, জলাধার ও বন এলাকায় অধিকার সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভূমি কমিশনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনগ্রসর ও অনুন্নতক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী, দলিত ও চা বাগান শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা এবং সুযােগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক সকল প্রকার আইন ও অন্যান্য অন্যায় ব্যবস্থার অবসান করা হবে। ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের অধিকারের স্বীকৃতি এবং তাদের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারার স্বাতন্ত্র সংরক্ষণ ও তাদের সুষম উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচিগ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলাে এখানে তুলে ধরলাম। এই প্রেক্ষিতে আজ আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমাদের দাবি-
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা এ দেশের ধর্মীয়-জাতিগত-আদিবাসী সংখ্যালঘু জনগােষ্ঠী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
বরাবরে একটি স্মারক লিপি প্রদান করতে যাচ্ছি।
এ উপলক্ষে লক্ষাধিক নাগরিকের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি আমরা আজকের এই
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার ঘােষণা দিচ্ছি। বাহাত্তরের সংবিধান আজও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত না হলেও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা’ পূর্বেকার মত রাষ্ট্রীয়
মৌলনীতি হিসেবে সংবিধানে ফিরে এসেছে, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমিবিরােধ নিষ্পত্তিতে কমিশন গঠিত হয়েছে, কুখ্যাত গণবিরােধী শত্রু (অর্পিত) সম্পত্তি আইন বাতিলক্রমে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন হয়েছে, নিবন্ধন আইনে বিরাজিত ইতােপূর্বেকার বৈষম্য দূরীভূত হয়েছে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন প্রণীত হয়েছে, চাকুরির নিয়ােগ-পদোন্নতি ও জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংস্থায় অতীতের বিরাজিত বৈষম্যের বেশ খানিকটা অবসান হয়েছে, ধর্মশিক্ষায় স্বস্ব ধর্মের শিক্ষক নিয়ােগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের স্বাভাবিক সময়ে ত’ বটেই, আজকের করােনা অতিমারী দুর্যোগময় পরিস্থিতিতেও ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের বাড়িঘরে হামলা ও জখম, তাদের জমিজমা, সমাধিক্ষেত্র এমনকি দেবােত্তর সম্পত্তিও জবর দখল ও জবর দখলের অপচেষ্টা, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে নিরীহ জনগণকে নানাভাবে হয়রানি ও তাদের উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা নানা স্থানে
ঘটে চলেছে। পূর্বেকার কথা বাদ দিলেও বিগত দেড়-দুই বছরে সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, মৌলভী বাজার, মাগুরা, জামালপুর,জয়পুরহাট, চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া, কুড়িগ্রাম, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, দিনাজপুর, আগৈলঝরা, যশাের, বরিশাল, ভােলা,
সুনামগঞ্জের শাল্লা এবং সর্বশেষ খুলনার রূপসাসহ নানা স্থানে কুচক্রী সাম্প্রদায়িক মহলের এ ধরনের হামলা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে। আমরা ঘটনাবলির সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান হয়।
সংখ্যালঘু জনজীবনে বিরাজিত বহুমুখী সংকট থেকে উত্তরণে বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বেশ কয়েকটি অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছিল। ইশতেহারের ৬৬ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছিল,
• অর্পিত সম্পত্তি সংশােধনী আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত স্বত্বাধিকারীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে ।
• জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হবে। সংখ্যালঘু বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে ।
• সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর জমি, জলাধার ও বন এলাকায় অধিকার সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভূমি কমিশনের
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনগ্রসর ও অনুন্নতক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী, দলিত ও চা বাগান শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষা ও চাকরির
ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা এবং সুযােগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
• সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক সকল প্রকার আইন ও অন্যান্য অন্যায় ব্যবস্থার অবসান করা হবে।
ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের অধিকারের স্বীকৃতি এবং তাদের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারার স্বাতন্ত্র সংরক্ষণ ও তাদের সুষম উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচিগ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলাে এখানে আপনাদের সামনে হুবহু তুলে ধরলাম। এই প্রেক্ষিতে আজ আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমাদের দাবি- সঞ্জীব দ্রু,সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম (নির্মল কুমার চ্যাটার্জী), সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, নিমচন্দ্র ভৌমিক, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, Ruang, (নির্মল রােজারিও, সভাপতি, দিব্যেন্দু চৌধুরী) সভাপতি, (নির্মল রােজারিও), ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সুনন্দপ্রিয় ভিক্ষু, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বুদ্ধিষ্ট ফেডারেশন,হেমন্ত আই কোড়াইয়া সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ খ্রিস্টান, এ্যাসােসিয়েশন, হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সভাপতি
অজিত বড়ুয়া, সভাপতি, প্রভাস চন্দ্র রায়, সভাপতি
সােমনাথ দে, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি, সুদীপ বড়ুয়া,
সাধারণ সম্পাদক, পলাশ কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট
বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি, স্বপন কুমার সাহা,
জগন্নাথ হল এ্যালামনাই অ্যাসােসিয়েশন,সুনিত বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক,স্বজন,সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মতুয়া সংঘ, সুব্রত চৌধুরী, সুকুমার চৌধুরী, সভাপতি, অশোক তর,সভাপতি,
প্রবীর সেন, সাধারণ সম্পাদক, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ, অশােক কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মাইনােরিটিজ সংগ্রাম পরিষদ, রঘুপতি সেন, সাধারণ সম্পাদক।
Leave a Reply